বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
শরণখোলায় কারেন্ট পোকার আক্রমনে ব্যাপক ফসলহানির আশংঙ্কা মরদেহের সঙ্গে শারীরিক সংসর্গ, ডোমের সহযোগী গ্রেপ্তার আদিতমারীতে কৃষি প্রণোদনার সার বীজ বিতরণ মেধা ভিত্তিক রাজনীতিকে গুরুত্ব দেয়া হবে-যুবলীগ চেয়ারম্যান ময়মনসিংহে ১২টি মাথার খুলি ও দুই বস্তা হাড় উদ্ধার আটক কষ্টি পাথরের মূর্তি কান্তনগর জাদুঘরে হস্তান্তর জুয়েল হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর আগৈলঝাড়ায় নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বরণ ও বিদায়ীকে বিদায়ী সংবর্ধনা গৌরীপুরে ব্রিফকেস বন্দী অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার কালীগঞ্জে বিষাক্ত মদ পানে ২ জনের মৃত্যু, ৩ জন হাসপাতালে লালমনিরহাটে তিস্তায় চরে নারীর মরদেহ উদ্ধার পঞ্চগড়ে নেমেগেছে ঠান্ডা সুন্দরবনে শুটকী মৌসুম শুরু! লালমনিরহাটে শ্রমিক নেতাদের দু গ্রুপে সংর্ঘষ মারপিট, মহাসড়ক অবরোধ স্বরূপকাঠীতে বাংলাদেশ জমিয়াতে হিযবুল্লাহ্’র বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন

Salat Times

    Dhaka, Bangladesh
    Thursday, 26th November, 2020
    SalatTime
    Fajr5:01 AM
    Sunrise6:20 AM
    Zuhr11:46 AM
    Asr2:50 PM
    Magrib5:11 PM
    Isha6:30 PM

মরদেহের সঙ্গে শারীরিক সংসর্গ, ডোমের সহযোগী গ্রেপ্তার

MY SOFT IT Wordpress Plugin Development

Covid 19 latest update

# Cases Deaths Recovered
World 60,568,501 1,423,632 41,857,958
Bangladesh 454,146 6,487 369,179
Data Source: worldometers.info

পাঁচটি আত্মহত্যার ঘটনা। আত্মহত্যাকারী প্রত্যেকে ১১ থেকে ১৭ বছর বয়সী কিশোরী। ময়নাতদন্তের জন্য তাদের লাশ এসেছিল রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গে। লাশগুলোর সুরতহাল প্রতিবেদনে কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল না, ছিল না ধর্ষণের আলামতও। অথচ সিআইডির ল্যাবরেটরিতে ডাক্তারের পাঠানো প্রতিটি মরদেহের ‘হাই ভেজাইনাল সোয়াবে (এইচভিএস) ’ পাওয়া গেল একই পুরুষের শুক্রাণুর উপস্থিতি। অনুসন্ধানে জানা গেলো, মরদেহগুলো মর্গে আসার পর সেগুলোর সঙ্গে শারীরিক সংসর্গ করেছিলেন ডোমের সহযোগী মুন্না ভক্ত (২০)।

মুন্না ভক্তকে বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। আজ শুক্রবার ঘটনাটি গণমাধ্যমকে জানিয়েছে তারা। মুন্নার বাড়ি রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের জুরান মোল্লার পাড়ায়। তিনি সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের কোনো কর্মচারী নন। হাসপাতালের ডোম শ্রী যতন কুমারের ভাগনে হওয়ার সুবাদে তিনি সেখানে কাজ করতেন। মর্গের চাবি তাঁর কাছে থাকত। মর্গে আসা মরদেহগুলো তিনি গ্রহণ করতেন, ময়নাতদন্তের সময় ডাক্তারদের সাহায্য করতেন এবং ময়নাতদন্ত শেষে লাশগুলো স্বজনদের বুঝিয়ে দিতেন।

সিআইডি বলছে, গত বছরের ২৯ মার্চ থেকে চলতি বছরের ২৩ আগস্ট পর্যন্ত মুন্না অন্তত পাঁচজন মৃত কিশোরীর লাশ ধর্ষণ করেছেন বলে তারা প্রমাণ পেয়েছে। মৃত এই কিশোরীদের বয়স ছিল ১১ থেকে ১৭ বছর। আত্মহত্যার পর তাদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়েছিল।

এই ঘটনায় শেরেবাংলা নগর থানায় করা মামলায় সিআইডির পরিদর্শক মো. জেহাদ হোসেন বলেছেন, মৃত্যুর আগে ওই কিশোরীরা ধর্ষণের শিকার হয়েছিল কি না, তা জানতে ময়নাতদন্তকারী ডাক্তার মরদেহের ‘হাই ভেজাইনাল সোয়াব (এইচভিএস) ’ সিআইডির ডিএনএ ল্যাবরেটরিতে পাঠিয়েছিলেন। পরীক্ষায় এই এইচভিএসগুলোতে পুরুষের শুক্রাণুর উপস্থিতি পাওয়া যায়। শুক্রাণুর ডিএনএ প্রোফাইল ম্যাচিং করে সেটি একই ব্যক্তির বলে নিশ্চিত হন পরীক্ষকেরা। অথচ এই মরদেহগুলোর সুরতহালে বলপ্রয়োগজনিত কোনো আঘাতের চিহ্ন বা ধর্ষণের চিহ্নের কথা উল্লেখ ছিল না। এই পাঁচ তরুণীর লাশই যেদিন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল, তার পরদিন ময়নাতদন্ত করা হয়।

জেহাদ হোসেন বলেন, যেহেতু লাশগুলোর সুরতহাল প্রতিবেদনে কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল না, তাই তরুণীদের লাশ হাসপাতালে আসার পর কিছু একটা ঘটেছে বলে তাঁরা ধরে নেন। তখন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডোম ও তাঁর সহযোগীদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন তাঁরা। বিষয়টি টের পেয়ে মুন্না হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান। পরে বাবুবাজার সেতু থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গ চালু হয় ২০১৭ সালের অক্টোবরে। মর্গের সরকারি বেতনভুক্ত একমাত্র ডোম শ্রী যতন কুমার। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ২০১৮ সাল থেকে মুন্না তাঁর সঙ্গে কাজ শুরু করেন। মুন্নাসহ তাঁর সহযোগীর সংখ্যা চারজন। তাঁরা রাতে মর্গের কোনো কক্ষে বা বারান্দায় থাকতেন। এর বাইরে একজন নারী আছেন, যিনি কাজ করে চলে যান। যতন জানান, মর্গের একমাত্র বেতনভুক্ত কর্মচারী তিনি। ময়নাতদন্ত করতে নিয়ে আসা স্বজনেরা যে বকশিশ দেন, তা দিয়ে বাকিদের মাসোহারা দেওয়া হয়।

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গটি কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের অধীনে পরিচালিত হয়। ফরেনসিক বিভাগের প্রধান সেলিম রেজা প্রথম আলোকে বলেন, ছেলেটা মানসিকভাবে অসুস্থ। কোনো সুস্থ ব্যক্তির দ্বারা এটা সম্ভব না। এই যৌন বিকৃতিকে নেক্রোফিলিয়া বলা হয়।

হাসপাতালের কর্মচারী না হওয়া সত্ত্বেও সেখানে এই যুবকের কাজ করার বিষয়ে সেলিম রেজা বলেন, কোনো প্রশিক্ষিত ‘মর্চুয়ারি অ্যাসিসটেন্ট’ নেই। বিষয়টিকে কেউ গুরুত্বের সঙ্গে দেখে না। ব্রিটিশ আমল থেকে যাঁরা এই কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাঁরাই বংশগতভাবে এটি করে যাচ্ছেন। এ কারণে যিনি ডোম হিসেবে নিয়োগ পান, তিনিই তাঁর সহযোগী হিসেবে আত্মীয়স্বজনের কয়েকজনকে নিয়ে আসেন।

সেলিম রেজা মনে করেন, একজন প্রশিক্ষিত মর্চুয়ারি অ্যাসিসটেন্ট কখনো এই কাজ করতেন না। মর্গ, ময়নাতদন্তের দিকে সংশ্লিষ্টদের আরও নজর দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও উদ্যোগী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
মুন্না ভক্তকে বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। আজ শুক্রবার ঘটনাটি গণমাধ্যমকে জানিয়েছে তারা। মুন্নার বাড়ি রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের জুরান মোল্লার পাড়ায়। তিনি সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের কোনো কর্মচারী নন। হাসপাতালের ডোম শ্রী যতন কুমারের ভাগনে হওয়ার সুবাদে তিনি সেখানে কাজ করতেন। মর্গের চাবি তাঁর কাছে থাকত। মর্গে আসা মরদেহগুলো তিনি গ্রহণ করতেন, ময়নাতদন্তের সময় ডাক্তারদের সাহায্য করতেন এবং ময়নাতদন্ত শেষে লাশগুলো স্বজনদের বুঝিয়ে দিতেন।

সিআইডি বলছে, গত বছরের ২৯ মার্চ থেকে চলতি বছরের ২৩ আগস্ট পর্যন্ত মুন্না অন্তত পাঁচজন মৃত কিশোরীর লাশ ধর্ষণ করেছেন বলে তারা প্রমাণ পেয়েছে। মৃত এই কিশোরীদের বয়স ছিল ১১ থেকে ১৭ বছর। আত্মহত্যার পর তাদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়েছিল।

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

© All rights reserved ©2018-2020 KalerProbaho24

Design & Developed BY N Host BD